সঙ্গী মাইক্রো-চিটিং করছে না তো? যেসব লক্ষণে বুঝবেন

সঙ্গী মাইক্রো-চিটিং করছে না তো? যেসব লক্ষণে বুঝবেন
View on original source
Category: Health
Share
Archive
Like
'মাইক্রো-চিটিং' বলতে মূলত এমন কিছু ছোট আচরণকে বোঝানো হয়, যা সরাসরি শারীরিক সম্পর্কে জড়ানো নয়, কিন্তু সম্পর্কে বিশ্বাস ও নির্ধারিত সীমারেখা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। সাইকোলজি টুডে এবং ইন্ডিয়া টুডের সম্পর্কবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের আচরণ সম্পর্কভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং এর মূল বিষয়গুলোর একটি হলো গোপনীয়তা ও বিশ্বাসের সীমারেখা। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, সঙ্গীর কোনো একটি আচরণ দেখেই তাকে প্রতারক বলা যায় না। কোন আচরণ গ্রহণযোগ্য আর কোনটি সীমা অতিক্রম করছে, তা প্রতিটি সম্পর্কের ক্ষেত্রেই ভিন্ন হয়ে থাকে। মাইক্রো-চিটিং কী? অন্য কারো সঙ্গে নিয়মিত ফ্লার্ট করা, আকর্ষণীয় কারো ছবি বা পোস্টে বিশেষ ধরনের মন্তব্য করা, সঙ্গীর কাছ থেকে কারো সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি লুকানো, প্রাক্তনের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখা কিংবা সম্পর্কে থাকার পরও ডেটিং অ্যাপ ব্যবহার করা—এসব আচরণকে বিভিন্ন সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ মাইক্রো-চিটিংয়ের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মাইক্রো-চিটিংয়ের লক্ষণ কী? সম্প্রতি সাইকোলজি টুডের এক ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, সঙ্গী যদি নিয়মিত কারো সঙ্গে যোগাযোগ লুকাতে থাকেন, নির্দিষ্ট কাউকে আপনার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন, কোনো ব্যক্তির বিষয়ে প্রশ্ন করলে অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েন বা আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায় তাহলে বিষয়টি নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন হতে পারে। তবে এসবের কোনো একটি ঘটলেই যে প্রতারণা হচ্ছে, এমন নয়। বরং একটি আচরণের চেয়ে ধারাবাহিক গোপনীয়তা ও সীমারেখা ভাঙার প্রবণতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেন মানুষ মাইক্রো-চিটিং করে? এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য অনুযায়ী, বাইরের মানুষের কাছ থেকে প্রশংসা কুড়ানো বা কাজের স্বীকৃতি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকে হতে পারে। এছাড়াও নিজের সম্পর্কে অসন্তুষ্টি, নতুনত্বের আকর্ষণ কিংবা অন্য কারো সঙ্গে আবেগগত সংযোগ তৈরির প্রবণতা এর পেছনে থাকতে পারে। তবে কারণ যাই হোক, গোপনীয়তা যদি সম্পর্কে বিশ্বাসের সমস্যা তৈরি করে, তাহলে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। সঙ্গীর মাইক্রো-চিটিং ধরা পড়লে আপনার কষ্ট হতে পারে। রাগ হতে পারে। তবে রাগের মাথায় এই ৫ ভুল করবেন না- সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করে ফেলবেন না সঙ্গীর এমন আচরণ জানতে পারলে রাগ, কষ্ট বা অপমানবোধ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সেই মুহূর্তেই ব্রেকআপ বা বিচ্ছেদের মতো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি নয়। আগে বোঝার চেষ্টা করুন, ঠিক কী ঘটেছে? এটি কি একবারের ঘটনা, নাকি দীর্ঘদিনের আচরণ? সঙ্গী কি বিষয়টি লুকিয়েছেন? নাকি আপনাদের সম্পর্কের সীমারেখা নিয়েই দুজনের ধারণা আলাদা? বিশেষজ্ঞরা সম্পর্কের এমন পরিস্থিতিতে সরাসরি অভিযোগের বদলে খোলামেলা আলোচনা এবং পরিস্থিতি বোঝার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রতিশোধ নিতে যাবেন না রাগের মাথায় সঙ্গীর ব্যক্তিগত ছবি, মেসেজ বা ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। সঙ্গীর ফোন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গোপনে নজরদারি করাও সমস্যার সমাধান নয়।

(0)Comments

 

A note on cookies

Newshunt uses essential cookies to keep you signed in and to remember your language and country, so the site works the way you expect. With your permission, we'd also like to use analytics cookies to understand how people use Newshunt and improve it over time.

Accepting only affects analytics. To learn more, view our Privacy Policy or Terms & Conditions.