সুজিত মণ্ডলকে খুনের ঘটনায় তৎপর CID, দায়িত্ব নিয়েই সামশেরগঞ্জ থানায় আধিকারিকরা, জেরা করা হবে ধৃতদের

সুজিত মণ্ডলকে খুনের ঘটনায় তৎপর CID, দায়িত্ব নিয়েই সামশেরগঞ্জ থানায় আধিকারিকরা, জেরা করা হবে ধৃতদের
View on original source
Category: Politics
Share
Archive
Like
সামশেরগঞ্জ থানায় সিআইডি আধিকারিকরা নিজস্ব চিত্র বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডলকে খুনের তদন্তভার নিয়েই সামশেরগঞ্জ থানায় পৌঁছলেন সিআইডি আধিকারিকরা। মঙ্গলবার বিকেলে থানায় গিয়ে মামলার নথিপত্র সংগ্রহ করেন তাঁরা। রাতে ধৃতদের জেরা করার কথা রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। খুনের প্রকৃত কারণ, পুরোনো কোনও শত্রুতা ছিল কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এক নজরে বাড়ি থেকে বেরোনোর পরে নিখোঁজ বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডল। পরিবারের দাবি, পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে ফোন আসে। ফরাক্কার বল্লালপুর ফিডার ক্যানাল সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় একটি কাটা পা। পরে সেটি সুজিতের বলে জানা যায়। ঘটনায় সামিরুল শেখ, তাজফেরা বিবি এবং জনি শেখকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগের পর একাধিক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্তভার সিআইডির হাতে। মঙ্গলবার সামশেরগঞ্জ থানায় গিয়ে মামলার নথি সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা। পুলিশ ও মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৮ অগস্ট বাড়ি থেকে বেরোন সুজিত। তার পর থেকেই তাঁর আর কোনও খোঁজ মেলেনি। ঘটনার পরেই সামশেরগঞ্জ থানায় নিখোঁজ ডায়রি করেন সুজিতের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, সুজিত নিখোঁজ হওয়ার পরে একজন ফোন করে পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চেয়েছিল। ফোন নম্বর এবং কথোপকথনের সেই অডিয়ো রেকর্ডিংও পুলিশের হাতে তুলে দেন তাঁরা। কিন্তু তার পরেও পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ পরিবারের। ঘটনার মোড় ঘোরে ৩ সেপ্টেম্বর। সামশেরগঞ্জের লাগোয়া ফরাক্কার বল্লালপুর ফিডার ক্যানাল সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি কাটা পা উদ্ধার করে ফরাক্কা থানার পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সামশেরগঞ্জ থানার আধিকারিকরাও। পরে তদন্তে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া দেহাংশটি সুজিতের। যদিও এখনও পর্যন্ত তাঁর দেহের বাকি অংশ উদ্ধার হয়নি। ঘটনায় ইতিমধ্যেই সামিরুল শেখ, তাজফেরা বিবি এবং জনি শেখ নামে তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনায় পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে সুজিতের পরিবার। এর পরেই সোমবার একাধিক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সামশেরগঞ্জ থানার ওসি সুব্রত ঘোষকে ক্লোজ় করা হয়। ফরাক্কার এসডিপিও শেখ সামিসুদ্দিনকে পাঠানো হয় শাস্তিমূলক পোস্টিংয়ে। ধুলিয়ান পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ও এএসআই-কেও সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে জঙ্গিপুর পুলিশ সুপার সুরিন্দর সিংকে সতর্ক করার পাশাপাশি শোকজ় করা হয়েছে। এর পরেই ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়ার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই মঙ্গলবার সামসেরগঞ্জ থানায় পৌঁছলেন সিআইডি আধিকারিকরা। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীর কাছ থেকে মামলার নথিপত্র নিজেদের হেফাজতে নেন তাঁরা। রাতেই ধৃতদের জেরা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সুজিত মণ্ডল কবে নিখোঁজ হন? গত ২৮ অগস্ট সকালে বাড়ি থেকে বেরোনোর পর থেকে তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরিবারের কাছে কি মুক্তিপণের ফোন এসেছিল? পরিবারের দাবি, সুজিত নিখোঁজ হওয়ার পর ফোন করে পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল। ফোন নম্বর এবং কথোপকথনের অডিয়ো রেকর্ডিং পুলিশকে দেওয়া হয়েছিল। সুজিতের দেহ কী ভাবে উদ্ধার হয়? ৩ সেপ্টেম্বর ফরাক্কার বল্লালপুর ফিডার ক্যানাল সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি কাটা পা উদ্ধার হয়। পরে তদন্তে সেটি সুজিতের বলে জানা যায়। তাঁর দেহের বাকি অংশ এখনও উদ্ধার হয়নি। এই ঘটনায় কত জন গ্রেফতার হয়েছে? সামিরুল শেখ, তাজফেরা বিবি এবং জনি শেখ—এই তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কেন সিআইডির হাতে তদন্তভার দেওয়া হল? সুজিতের পরিবার পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছিল। তার পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্তভার সিআইডির হাতে দেওয়া হয়।

(0)Comments

 

A note on cookies

Newshunt uses essential cookies to keep you signed in and to remember your language and country, so the site works the way you expect. With your permission, we'd also like to use analytics cookies to understand how people use Newshunt and improve it over time.

Accepting only affects analytics. To learn more, view our Privacy Policy or Terms & Conditions.