দৈনিক শিক্ষাডটকম প্রতিবেদক
- +
এআই জেনারেটেড প্রতীকী ছবি
উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য 'ইসলাম শিক্ষা' ও 'আরবি' বিষয় একসঙ্গে নেওয়ার সুযোগ পুনর্বহালের বিষয়টি সরকার গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। এ বিষয়ে অংশীজনের মতামত নিয়ে বিষয়-গুচ্ছ পুনর্বিন্যাসের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।
ড. মিলন আরো বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০১২ অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঁচটি শাখার মধ্যে কেবল 'ইসলাম শিক্ষা শাখায়' 'ইসলাম শিক্ষা' ও 'আরবি' বিষয় একত্রে গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, মানবিক শাখায় 'ইসলাম শিক্ষা' বিষয়টিকে শাখাভিত্তিক আবশ্যিক বিষয় না রেখে ১৭টি বিষয়-গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত একটি ঐচ্ছিক বা অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে রাখা হয়। শিক্ষাক্রমের এই বিষয়-গুচ্ছ ও সমন্বয় কাঠামোর কারণে মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য 'ইসলাম শিক্ষা' ও 'আরবি' বিষয় একত্রে গ্রহণের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। মানবিক শাখাসহ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য শাখায় 'ইসলাম শিক্ষা' ও 'আরবি' বিষয় একত্রে গ্রহণের সুযোগ পুনর্বহালের সুবিধা-অসুবিধা পর্যালোচনার জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলো, বিষয়বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, অংশীজনের মতামত, বিষয়ভিত্তিক পাঠ্যঘণ্টা, পরীক্ষার বিষয়সংখ্যা, উচ্চশিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং শিক্ষার্থীদের পছন্দের সুযোগ বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যমান বিষয়-গুচ্ছ পুনর্বিন্যাসের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। যাচাই শেষে এ সুযোগ পুনর্বহালের বিষয়ে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পর্যালোচনা সম্পন্ন হওয়ার আগে বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা সম্ভব নয়, তবে সিদ্ধান্ত নেয়া হলে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ থেকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, মন্ত্রী ড. মিলন আজ ইউনেস্কোর 'ডিজিটাল লার্নিং উইক' সেমিনারে প্যারিসে বক্তব্য দিয়েছেন। সেখানে শিক্ষাখাতে এ আই-এর ব্যবহারসহ বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে ডিজিটালসহ নানা পদক্ষেপের তথ্য জানান।
#ইসলাম শিক্ষা #এইচএসসি পরীক্ষা #আরবি
(0)Comments