টানা কর্মসূচিতে সরকারকে চাপে রাখবে ১১ দল

টানা কর্মসূচিতে সরকারকে চাপে রাখবে ১১ দল
View on original source
Category: Politics
Share
Archive
Like
সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে ধারাবাহিক কর্মসূচির কৌশল নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট। জোটের দলগুলো লংমার্চ, সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে রাজপথে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি সংসদেও সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চায়। একই সঙ্গে বিএনপির বাইরে পৃথক রাজনৈতিক বলয় গড়ে তোলার উদ্যোগও জোরদার করছে জোটটি। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য, সরকারের ভালো কাজে সহযোগিতা করা হবে; তবে জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণের অধিকার রক্ষায় সংসদ ও রাজপথ-দুই জায়গাতেই কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন তাঁরা। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, 'জামায়াত বিরোধী দল হিসেবে সরকারের ভালো কাজে সমর্থন দেবে এবং জনস্বার্থবিরোধী কর্মসূচিতে একবিন্দুও ছাড় দেবে না। রাজপথ ও সংসদ-উভয় জায়গায় প্রকৃত বিরোধী দলের ভূমিকাই পালন করবে।' দলটির একাধিক নেতা ও রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে বিরোধী দলের ৭৭টি আসন জামায়াতের জন্য শুধু সংখ্যাগত শক্তি নয়, জনগণের দেওয়া রাজনৈতিক দায়িত্ব। সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরার পাশাপাশি বিকল্প প্রস্তাব দেওয়া এবং সংসদে জনগণের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরাই এখন দলটির বড় চ্যালেঞ্জ। শনিবার জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ করে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সারসংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ-এসব দাবিতে কর্মসূচি পালন করা হয়। ১১-দলীয় সূত্র জানান, দাবি আদায় ও জনমত গঠনে লংমার্চের পাশাপাশি সমাবেশসহ পর্যায়ক্রমে আরও কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। জোটটির নেতারা এসব কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে তুলে ধরছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মাঠে থাকার কথাও বলছেন তাঁরা। রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে-আগামী নির্বাচন সামনে রেখে ১১-দলীয় জোটকে ঘিরে বিএনপির বাইরে পৃথক রাজনৈতিক বলয় গড়ে তুলতে চাইছে জামায়াত। নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মতো ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছে দলটি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সার, দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলার মতো জনসম্পৃক্ত ইস্যু আন্দোলনের কেন্দ্রে রেখে জনসমর্থন বাড়াতে চাইছে ১১ দল। পাশাপাশি ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি এবং নিজেদের সাংগঠনিক ও নির্বাচনি শক্তি জানান দেওয়াই জোটটির বর্তমান কৌশল।

(0)Comments

 

A note on cookies

Newshunt uses essential cookies to keep you signed in and to remember your language and country, so the site works the way you expect. With your permission, we'd also like to use analytics cookies to understand how people use Newshunt and improve it over time.

Accepting only affects analytics. To learn more, view our Privacy Policy or Terms & Conditions.