পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মান্নান

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান হলেন আব্দুল মান্নান
View on original source
Category: Politics
Share
Archive
Like
মনজুর এ আজিজ: সাড়ে ৩ মাস পর পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান পেল পেট্রোবাংলা। নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত সচিব মোঃ আব্দুল মান্নান। যিনি এতদিন অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্বের পাশাপাশি চেয়ারম্যান পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন। প্রায় সাড়ে ৩ মাস ধরে চেয়ারম্যান পদ শূন্য থাকায় ব্যাপক সমালোচনা ছিল। ভয়াবহ গ্যাস সংকট দূর করতে তার মুখ্য ভূমিকা পালন করার কথা। দেশের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাত সরকারকে দারুণ স্বস্তি এনে দিতে পারে। আবার ভুল পদক্ষেপ সরকারকে সবচেয়ে বেশি বিপদে মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে। দেশের এই খাতটি বর্তমানে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে বলা যায়। নীতি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে দেশের সার্বিক ভবিষ্যৎ। পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যানের পদটি অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদার হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই চেয়ারম্যান আসা-যাওয়ার মধ্যেই রয়েছেন। পেট্রোবাংলায় যোগদান করে অধীনস্থ কোম্পানি, দপ্তর-পরিদপ্তর সম্পর্কে রপ্ত করতে করতেই চলে যাওয়ার সময় হচ্ছে। ফের নতুন কেউ এসে সেই নতুন করে শুরু করছেন। এমনও নজির রয়েছে, পেট্রোবাংলার কাজ ফেলে কেউ কেউ এসেই সচিব পদের জন্য লবিং-তদ্বীরে ব্যস্ত থেকেছেন। আজকের ভয়াবহ গ্যাস সংকটের এটাকেও কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে থাকেন অনেকে। এক সময়ে দেশীয় গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকে দৈনিক ২৮০০ মিলিয়নের মতো গ্যাস উৎপাদিত হলেও এখন ১৬২৪ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছে। মজুদ কমে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত কমে আসছে উৎপাদন। বেশি উদ্বেগের বিষয় বড় গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানার উৎপাদন কমে যাওয়া। ফিল্ডটি থেকে এখনও সাড়ে ৪৫ শতাংশের মতো গ্যাস যোগান আসছে। আর কনডেনসেট পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬৮ শতাংশ। এক সময়ে ১৩৫০ মিলিয়নের মতো উৎপাদন দিতো, ৭ সেপ্টেম্বর ৭৩০ মিলিয়নে নেমে গেছে। মজুদ কমে আসায় দ্রুতই কমে যাচ্ছে উৎপাদন। চাহিদা যখন বাড়ন্ত তখন প্রতিদিনেই কমছে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন। চাইলেও সহসা আমদানি বাড়ানোর সুযোগ নেই। আমদানি বাড়াতে হলে নতুন এলএনজি টার্মিনাল ও পাইপলাইন স্থাপন করতে হবে, যা খুবই সময় সাপেক্ষ। যে কারণে আসছে ২০২৭ ও ২০২৮ সালে গ্যাস সংকট আরও প্রকট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদনে ব্যাপক ধসের শঙ্কার কারণে। এখন জরুরি ভিত্তিতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে দরকার। তখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক খোঁচায় সবকিছু স্থবির হয়ে পড়ে রয়েছে। জিডিএফ অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্প নিজস্ব অর্থায়ন হিসেবে বিবেচিত হতো। ওই প্রকল্প অনুমোদন দিতেন মন্ত্রী অথবা উপদেষ্টা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়। এনইসির অনুমোদনের পর শুধু জিও জারি হতেই সময় লেগে যায় ৩ থেকে ৪ মাসের মতো। আর পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনেও কয়েক মাসের ধাক্কা। যদি কোন ব্যাখ্যা চাওয়া হয় তাহলেতো কথাই নেই।

(0)Comments

 

A note on cookies

Newshunt uses essential cookies to keep you signed in and to remember your language and country, so the site works the way you expect. With your permission, we'd also like to use analytics cookies to understand how people use Newshunt and improve it over time.

Accepting only affects analytics. To learn more, view our Privacy Policy or Terms & Conditions.