গাজীপুরের জুয়েলারি দোকানিকে গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার আসামিদের

গাজীপুরের জুয়েলারি দোকানিকে গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার আসামিদের
View on original source
Category: Politics
Share
Archive
Like
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাছা থানা এলাকায় জুয়েলারি দোকানের মালিক ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার আসামিদের গাজীপুরের বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে তারা স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার চৈতট গ্রামের মো. নাছির উদ্দিন (৩২) এবং একই জেলার মধুপুর থানার জলছত্র গ্রামের মো. সুজন মিয়া (২৭)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া স্বর্ণালংকার, নিহতের ব্যবহৃত মুঠোফোন এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অপরাধ (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার রাতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৩ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে তিনটা থেকে ভোর সোয়া পাঁচটার মধ্যে যেকোনো সময় সিটি করপোরেশনের গাছা থানাধীন ভূষিরমিল রোড এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা 'সাদিয়া জুয়েলার্স' নামের স্বর্ণের দোকানে ঢুকে এর মালিক আবুল কালাম আজাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে দোকানে থাকা বিভিন্ন অলংকার লুট করে পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে গাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ও সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনারের দিকনির্দেশনায় তদন্তে নামে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল আউয়াল সরদারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত রবিবার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাছির ও সুজনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে লুট হওয়া মালামাল ও নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের নিয়ে ঘটনাস্থলের পাশে অভিযান চালিয়ে হত্যাণ্ডে কাব্যবহৃত ছুরিটিও জব্দ করা হয়। এছাড়া উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, পাথরসহ রূপার আংটি ১৭টি, রূপার কানের টপ এক জোড়া, ইমিটেশনের বালা ফিতাসহ দুই জোড়া, ইমিটেশনের হার ফিতাসহ দুই পিস। জিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ, দক্ষিণ) এস এম শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারের পর আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে, তারা স্বেচ্ছায় আদালতে হত্যাকান্ডে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি আরও জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত ও জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিডি-প্রতিদিন/এআইডি

(0)Comments

 

A note on cookies

Newshunt uses essential cookies to keep you signed in and to remember your language and country, so the site works the way you expect. With your permission, we'd also like to use analytics cookies to understand how people use Newshunt and improve it over time.

Accepting only affects analytics. To learn more, view our Privacy Policy or Terms & Conditions.